ঢাকা মহানগরী পূর্ব

পরিচিতিঃ

এক নজরে

পুরোনামঃ নামঃ শহীদ সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ মাসুম

পিতার নামঃ পিতা : মাহতাব উদ্দনি আহমদ

মাতার নামঃ মাতা : শামছুন নাহার রুবি

ভাই বোনঃ ভাইবোন : দুই ভাই ও তিন বোন

জন্ম তারিখঃ ২রা ডিসেম্বর ১৯৮৬

শাহাদাতের তারিখঃ শাহাদাতরে তারখি ও স্থান : ২৮ অক্টোবর ২০০৬ বায়তুল মোকাররমরে উত্তর সড়কে ১৪ দলরে হামলায় আহত হয়ে চকি

স্থায়ী ঠিকানাঃ
স্থায়ী ঠকিানা : ১৩০/১৬, বাগানবাড়ি, মাদারটকে, বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা।

সাংগঠনিক মানঃ সাথী

সর্বশেষ দায়িত্বঃ ২৭ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষণি সভাপতি ।

সর্বশেষ পড়ালেখাঃ শক্ষিাজীবন : শাহাদাতরে সময় তিনি সরকারি ততিুমীর কলেজে ইংরজী বভিাগের অর্নাস প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

শাহাদাতের স্থানঃ
চকিৎিসাধীন অবস্থায় ২ নভম্বের ২০০৬ ভোর ৪টায় ইবনে সনিা হাসপাতালে শহীদ হন।

নামঃ শহীদ সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ মাসুম


সদা হাস্যোজ্জ্বল শহীদ সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুম ২ ভাই ৩ বোনরে মধ্যে ছলি ৩য়। তার পতিা মাহতাব উদ্দনি আহমদে সাবকে সরকারি র্কমর্কতা। মাতা শামসুন্নাহার রুবি ভয়াল আটাশরে সকালে শহীদ মাসুম ও শহীদ শিপন একসাথে বাড়ি থকে বের হয়। কন্তিু তারা আর জীবতি ফিরে আসনি, এসেছে লাশ হয়ে। তারা বাসা থেকে বরে হয়ে সরাসরি চলে আসে বায়তুল মোকাররম মসজদিরে উত্তর গটে। সেখানেই লগি বঠৈা বাহনিীর ইটরে আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুম। ভয়াল আটাশরে সকালে শহীদ মাসুম ও শহীদ শপিন একসাথে বাড়ি থাকে বরে হয়। কউে কি জানতো তাদরে এই বরে হওয়াই শষে বরে হওয়া। তারা বাসা থকেে বরে হয়ে সরাসরি চলে আসে বায়তুল মোকাররম মসজদিরে উত্তর গটে।ে ইতমিধ্যে ১৪ দলরে লগি বঠৈা বাহনিী তাদরে তা-ব শুরু করে দয়ে জামায়াতে ইসলামীর সভা মঞ্চ দখলরে জন্য মরয়িা হয়ে ওঠ।ে কন্তিু মানব ঢাল অতক্রিম করে কছিুতইে এগুতে পারছলি না তারা। বৃষ্টরি মতো ইট আর বোমার মুখে সবার সামনে ছলিনে সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুম। অসীম সাহসকিতা আর ঈমানী দৃঢ়তায় অটল থাকনে তনি।ি কছিুক্ষণরে মধ্যইে একরে পর এক ইট এসে পড়তে থাকে তার উপর। বড় একটি ইট এসে পড়ে তার মাথায়। সাথে সাথে সংজ্ঞা হারয়িে লুটয়িে পড়নে মাটতি।ে তার পাশইে ছলিনে তার বড় ভাই শামসুল আলম মাহবুব। কী এ র্মর্মান্তকি দৃশ্য! ৫ দনি সংজ্ঞাহীন থাকার পর ২০০৬ সালরে ২ নভম্বের ভোর ৪টায় মহান আল্লাহর শাশ্বত আহ্বানে সাড়া দয়িে শাহাদাতবরণ করনে সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুম। শহীদ মাসুমরে লাশ যারা দখেছেনে তারা আর ঠকি থাকতে পারনেন।ি জীবন্ত মাসুমরে চহোরা আর মৃত মাসুমরে চহোরার মাঝে তফাত ছলি অনকে। তার সুন্দর, নষ্পিাপ চহোরাটি যনে উজ্জ্বল থকেে উজ্জ্বলতর হচ্ছলি। শহীদ মাসুমকে কউে কোনদনি রাগ কংিবা ক্ষোভ প্রকাশ করতে দখেনে।ি